

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা এবং হত্যাকাণ্ডসহ সামগ্রিকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেসব ঘটনা ঘটেছে, তার প্রাথমিক তথ্য অনুসন্ধানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে জাতিসংঘের তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে জাতিসংঘের হাইকমিশনার দপ্তরের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান রোরি মুঙ্গোভেন এ কথা জানিয়েছেন।
আলোচনার পর প্রতিনিধিদলের নেতা রুরি ম্যানগোভেন বলেন, ‘আমাদের দপ্তর কীভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে সহায়তা করতে পারে, সেটির বিষয়ে প্রাথমিক ও প্রাক্-অনুসন্ধান আলোচনা করেছি। আমাদের দলটি প্রাক্-অনুসন্ধানী একটি ছোট দল। সরকার ও বাংলাদেশের জনগণকে এই ঐতিহাসিক সময়ে কীভাবে সহায়তা করতে পারি, সেটি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা করতে আমরা এসেছি।’
বাংলাদেশে আসা জাতিসংঘের তিন সদস্যের এই প্রতিনিধিদলটি কোনো তদন্ত দল নয় বলে জানিয়েছেন রোরি মুঙ্গোভেন। তিনি জানান, প্রতিনিধি দলটি অন্তর্বর্তী সরকার, উপদেষ্টা, কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও সুশীল সমাজের সঙ্গে কথা বলে তাদের চাহিদা এবং অগ্রাধিকার সম্পর্কে জানবে। এক্ষেত্রে হাইকমিশনারের অফিস কীভাবে সহায়তা করতে পারে, সেটিও বোঝার চেষ্টা করবে তারা।
রোরি মুঙ্গোভেন আরো বলেন, বাংলাদেশের জনগণ বিশেষ করে তরুণরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় যে সাহসিকতা দেখিয়েছেন, তাতে জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক কমিশনার ভলকার টুর্ক অনুপ্রাণিত হয়েছেন। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং মানবাধিকারকে এগিয়ে নিতে তিনি (ভলকার টুর্ক) এটিকে ঐতিহাসিক সুযোগ হিসাবে দেখছেন। এই প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার, নাগরিক সমাজ ও বাংলাদেশের জনগণকে যেকোনো ধরনের সহায়তা করতে রাজি আমরা।
নিউজ /এমএসএম