

গণঅভ্যুত্থানের পর পদত্যাগ করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। গত ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন এবং বিভিন্ন মামলায় আটকদের মুক্তি দেয়া শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেকে মুক্তি পেয়েছেন।
এর আগে বিকেল ৩টার মধ্যে সংসদ ভাঙা না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা। এদিন দুপুর সোয়া ১২টায় এ ঘোষণা দিয়েছিলেন সমন্বয়ক নাহিদ হাসান।
তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরেও ফ্যাসিস্ট হাসিনার সংসদ বিলুপ্ত করা হয়নি। বিকেল ৩টার মধ্যে তা ভাঙা না হলে বুধবার (৭ আগস্ট) কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। বিপ্লবী ছাত্র-জনতাকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
আরেক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ছাত্র-জনতার উদ্দেশে এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে শান্তিপূর্ণ অবস্থান রাখুন। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন।
এর আগে মঙ্গলবার ভোর ৪টার পর এক ভিডিও বার্তায় নাহিদ হাসান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিতে আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনই রূপরেখা ঘোষণা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। তার সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, তিনি দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন।
নিউজ /এমএসএম