

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক রাষ্ট্রপতি জ্যাকব জুমার মুক্তি আন্দোলনে জড়িত কৃষ্ণাঙ্গ লুটপাটকারীদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে দেশটির পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনী।গত পাঁচ দিন ধরে চলে আসা আন্দোলনে এই পর্যন্ত ৭২ জন কৃষ্ণাঙ্গ নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বেসরকারি সিকিউরিটির গুলিতে এসব আন্দোলনকারী নিহত হয়েছেন।বুধবার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জোহানেসবার্গে ১৯ জন ও ডারবানে ৫৩ জন আন্দোলনকারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া আন্দোলনকারীদের গুলিতে দুইজন সোমালিয়ান নাগরিক খুন হয়েছেন এবং ৩ সোমালিয়ান গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আন্দোলন থামাতে সেনা মোতায়েন করলেও জুমা সমর্থকরা এসবের তোয়াক্কা না করে নতুন নতুন এলাকায় হামলা ও লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে।তবে আজ থেকে জোহানেসবার্গে সহিংসতা কমে আসলেও ডারবানে এখনো আন্দোলন ও লুটপাট চালাচ্ছে। আজ বুধবার নতুন করে পুমালাঙ্গা প্রদেশে হামলা ও লুটপাট শুরু হয়েছে। গত পাঁচ দিনের অব্যহত হামলা ও লুটপাটের শিকার হয়েছে অন্তত এক হাজার বাংলাদেশি। এসব বাংলাদেশি নাগরিক সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। আরও হাজার হাজার বাংলাদেশি আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন।পঞ্চম দিনের মতো হামলা ও লুটপাট অব্যাহত থাকায় দেশের পুলিশমন্ত্রী ভাকিব চ্যালে গতকাল বিকালে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইন হাতে তুলে নেওয়ার জন্য সাধারণ জনগণকে আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যেখানে হামলা ও লুটপাট হবে সেখানেই সন্রাসীদের প্রতিরোধ করুন। প্রতিরোধ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জনগণকে সহযোগিতা করবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন।এদিকে হামলা ও লুটপাটের শিকার বাংলাদেশিদের পাশে এ পর্যন্ত এগিয়ে আসনি হাইকমিশনসহ কোনো কমিউনিটি সংগঠন। তবে ইসলামিক ফোরাম অব আফ্রিকা নামের একটি সংগঠন হামলা ও লুটপাটের শিকার তাদের সংগঠনের নিজস্ব লোকজনকে উদ্ধার করে নানা সহায়তা করে যাচ্ছে।