

কুলাউড়া প্রতিনিধি: কুলাউড়ার রাজাপুর সেতু এ অঞ্চলের ৫ ইউনিয়নের জীবনমান ও আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ মো. আবু জাফর রাজু।সেতুটি নিমার্ণ করায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এছাড়া ইতিমধ্যে রাজাপুর সেতুকে কেন্দ্র করে প্রচুর পর্যটকের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পর্যটকদের সুবিধার্থে সেতু এলাকায় সোলার প্যানেল দিয়ে আলোর ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। তিনি সেতু নির্মাণে এলাকাবাসীদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানান। শনিবার (১৯ জুন) সকাল ১১টায় কুলাউড়া উপজেলার কুলাউড়া-পৃথিমপাশা-হাজীপুর-শরীফপুর সড়কের ১৪তম কিলোমিটারে পিসি গার্ডার সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের আওতাধীন ‘রাজাপুর সেতু’র নির্মাণ কাজ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ মো. আবু জাফর রাজু। সেতু পরিদর্শনকালে তাঁর সাথে ছিলেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন, কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, কুলাউড়া থানার ওসি বিনয় ভূষণ রায়, কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও প্রটোকল অফিসার-২ এর সহোদর আসম কামরুল ইসলাম, কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি নওয়াবজাদা আলী ওয়াজিদ খান বাবু, পৃথিমপাশা ইউপি চেয়ারম্যান নবাব আলী বাকর খান, সাবেক চেয়ারম্যান কমরেড আব্দুল লতিফ প্রমুখ।নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন জানান, রাজাপুর সেতুর নির্মাণকাজ ৯৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। অসমাপ্ত রয়েছে সংযোগ সড়কের কাজ। তিনি আগামী ২০২৩ সালের মে-জুনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে সেতু চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান। উল্লেখ্য, কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের শালিকা এলাকায় অবস্থিত একনেকে অনুমোদিত ৯৯ কোটি ১৭ লাখ ব্যয়ের ‘রাজাপুর সেতু’ প্রকল্পের নির্মাণ কাজের গত ২০১৮ সালের নভেম্বরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ ও বর্তমান বন ও পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি ও মৌলভীবাজার-২ আসনের তৎকালীন এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মতিন।