

স্টাফ রিপোর্টার:মৌলভীবাজারে করোনা ভাইরাসে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে।সোমবার (১০ মে) বিকেলে এসব ঈদ উপহার পৌঁছে দেন জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে প্রতিটি বাড়িতে একটি করে ফলের ঝুড়ি এবং নগদ পাঁচ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে,মৌলভীবাজারে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ জনে।সোমবার (১০ মে) সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বিবরণী থেকে জানা গেছে, একদিনে আরও ২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন জেলার একজন বাসিন্দা। যিনি ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আওতাধীন।নতুন শনাক্ত ২ জন মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের। এনিয়ে জেলায় মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৫২ জনে। যার মধ্যে সদরে ১১৭ জন, সদর হাসপাতালের ১০৬০ জন, শ্রীমঙ্গলের ২৯৮ জন, রাজনগরে ১৩১ জন, কমলগঞ্জের ১৮০ জন, জুড়ীতে ১২৭ জন, কুলাউড়ায় ২৭৮ জন এবং বড়লেখায় ১৬১ জন রয়েছেন।মারা যাওয়া ২৯ জনের মধ্যে সদর হাসপাতালের ১৫ জন, শ্রীমঙ্গলের ৬ জন, রাজনগরে ২ জন, কমলগঞ্জের ২ জন, জুড়ীতে ২ জন, কুলাউড়ায় ১ জন এবং বড়লেখায় ১ জন মারা গেছেন।২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৮ জন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২১৯ জন। এর মধ্যে সদর হাসপাতালের ১০০৪ জন, সদরে ১১৭ জন, শ্রীমঙ্গলের ২৭৩ জন, রাজনগরে ১২৮ জন, কমলগঞ্জের ১৬৯ জন, জুড়ীতে ১১৭ জন, কুলাউড়ায় ২৫১ জন এবং বড়লেখায় ১৬০ রয়েছেন।বর্তমানে জেলায় সক্রিয় করোনা রোগী রয়েছেন ৯৯ জন। যার মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন একজন।২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। আর বাংলাদেশে শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। এর প্রায় এক মাস অর্থাৎ ৪ এপ্রিল মৌলভীবাজারে করোনা রোগী পাওয়া যায়।
দেশের সর্বশেষ করোনা পরিস্থিতি
দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়ে আরও ৩৮ জন মারা গেছেন। একই সময়ে শনাক্ত করা হয়েছে আরও ১ হাজার ৫১৪ জনকে। এছাড়া একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন আরও ২ হাজার ১১৫ জন।সোমবার (১০ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে জানানো হয়েছে, করোনা শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ৮৪৮ টি। নমুনা পরীক্ষা শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ।