বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বসতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘গণভবনের দরজা খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সাথে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না। শনিবার
দেশজুড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা ও শিক্ষার্থীদের হত্যার বিচারসহ নয় দফা দাবি আদায়ে রোববার (৪ আগস্ট) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘সর্বাত্মক অসহযোগ’ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের বিশেষ উদ্যোগে শুক্রবার (২ আগস্ট) সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও ঢাকার দুই আদালত থেকে ৭৮ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী জামিন পেয়েছেন। এদেরমধ্যে ঢাকা বিভাগের ৫৫
কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রথম থেকে বিভিন্ন পেশার মানুষ বিভিন্নভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। কেউ সাহস দিয়ে আবার কেউ লেখার মাধ্যমে কেউবা গানের মাধ্যমে। তার মধ্যে এমনই একজন নর্থ সাউথ
হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়েছে। এসময় কয়েকটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার (২ আগস্ট) দুপুরে জুমার নামাজ শেষে হবিগঞ্জ শহরে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি গণমিছিলে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গণমিছিল করছেন শিক্ষার্থীরা। কোটা সংস্কার আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারসহ নয় দফা দাবিতে আন্দোলন
গণগ্রেপ্তার বন্ধ, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, আটক শিক্ষার্থী-জনতার মুক্তি, কারফিউ প্রত্যাহার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া ও শিক্ষার্থী জনতাকে হত্যার দায়ে বর্তমান সরকারের পদত্যাগের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত দ্রোহযাত্রায় কয়েকশ শিক্ষার্থী-জনতা
কোটা আন্দোলন ঘিরে গণহত্যা, গুম, খুন ও হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা ছাত্র ঐক্যের ‘ছাত্র বিক্ষোভ’ শুরু হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে ছাত্র
বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়ে ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন ও হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। একইসঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নয় দফা দাবির প্রতি সংহতি জানিয়েছেন
কোটা আন্দোলন চলাকালে সহিংস ঘটনায় আটকদের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষার্থী থাকলে তাদের জামিনে মুক্তি পাওয়ার বিষয়ে সরকার আইনি সহায়তা দেবে। এছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ না থাকলে তাদের জামিনের ক্ষেত্রেও