বাংলাদেশে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিতে গত বুধবার নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। আর এ নীতিকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের এ প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ‘সন্তুষ্ট’
২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা ঘোষণা করেছেন ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী বছর নির্বাচন করবেন বলে আগেই ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্পের সবচেয়ে
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় আত্মোৎসর্গকারী বাংলাদেশের পাঁচজন শান্তিরক্ষীসহ বিশ্বের ৩৯টি দেশের ১০৩ জন শান্তিরক্ষীকে সর্বোচ্চ ত্যাগের জন্য ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’ প্রদান করেছে জাতিসংঘ। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এ
বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনে কোনো অংশ নেবে কিনা সেই বিষয়ে নাক গলাবে না যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ মে) দুপুরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন ভিসা নীতি নিয়ে দেশটির দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইকে। ডোনাল্ড লু বুধবার রাতে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে কথা বলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থনের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। ভিসা নীতি ঘোষণার ১৬ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার বিকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি অনুযায়ী ভোটে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কোনো বাংলাদেশিকে ভিসা দেবে না দেশটি। তবে এ ভিসা নীতি নিয়ে সরকার চিন্তিত নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যে বাধা দেবে তার বিরূদ্ধেই ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেম সময় বুধবার (২৪ মে) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এই হুমকি দেওয়া হয়।
যেকোনো ধরনের উত্তেজক ভাষা ব্যবহার, ভীতি প্রদর্শন বা সহিংসতার হুমকির নিন্দা জানিয়েছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস। মঙ্গলবার (২৩ মে) এ তথ্য জানায় দূতাবাস। রাজশাহীর এক স্থানীয় বিএনপি নেতা সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ
কোন ধরনের সমাধান ছাড়াই সমাপ্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের সীমা বৃদ্ধির বিষয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভের স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থির বৈঠক। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের সীমা বৃদ্ধির বিষয়ে