আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াইয়ে নেমেছেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কে বসবেন এই চেয়ারে তা নিয়ে ভবিষ্যতবাণী করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত জ্যোতিষী অ্যামি
বাংলাদেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। গতকাল রবিবার দূতাবাসের জারি করা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে চলমান পরিস্থিতিতে মার্কিন নাগরিকেরা যেন চলাচলের
ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাঞ্চলে দাবানল নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে,যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় এই অঙ্গরাজ্যে এখন পর্যন্ত এটি সবচেয়ে বড় দাবানল। কর্তৃপক্ষ শনিবার এ কথা জানিয়েছে। শনিবার সকাল পর্যন্ত দাবানলে প্রায় ৩৫০,০০০ একর (১৪২,০০০ হেক্টর)
যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কমলা হ্যারিসের প্রার্থিতা নিয়ে রীতিমতো সাড়া পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটার ও অ-মার্কিন স্থানীয়দের মধ্যে৷ ডেমোক্র্যাটস অ্যাব্রোড বা ডিএর মুখপাত্র অ্যামি পোর্টার
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আসন্ন নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পরই নতুন মোড় নিতে শুরু করেছে দেশটির নির্বাচনী হওয়া। ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসাবে আলোচনায় আছে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের
ইতোমধ্যে জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে গিয়ে কমলা হ্যারিসকে সমর্থন জানিয়েছেন। বাইডেনের সমর্থন পেতেই নিজের নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের জন্য ৪৬ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছেন কমলা। এরপরই
দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন-বিক্ষোভ দমনে কী কী ঘটেছে, তার বিস্তারিত তথ্য জরুরিভিত্তিতে প্রকাশ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচআরসি) ফলকার টুর্ক। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব
চাপের মুখে পিছু হঠলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। শেষ পর্যন্ত আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন তিনি। সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বর্ষীয়ান ডেমোক্র্যাট নেতা জানিয়েছেন, “দেশের স্বার্থে নিজেকে সরিয়ে
সম্প্রতি রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের রানিংমেট হিসাবে জেডি ভ্যান্সের নাম ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তিনিই কয়েকদিন আগে একটি বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন, যখন তিনি বলেছিলেন যে, লেবার পার্টির অধীনে যুক্তরাজ্যই পারমাণবিক
কোটা সংস্কার আন্দোলন ক্রমেই রক্তক্ষয়ী হয়ে উঠছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। এমন পরিস্থিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে প্রাণহানির ঘটনার তদন্ত চেয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির মানবাধিকার প্রধান ভলকার