গণগ্রেপ্তার বন্ধ, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, আটক শিক্ষার্থী-জনতার মুক্তি, কারফিউ প্রত্যাহার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া ও শিক্ষার্থী জনতাকে হত্যার দায়ে বর্তমান সরকারের পদত্যাগের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত দ্রোহযাত্রায় কয়েকশ শিক্ষার্থী-জনতা
কোটা আন্দোলন ঘিরে গণহত্যা, গুম, খুন ও হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা ছাত্র ঐক্যের ‘ছাত্র বিক্ষোভ’ শুরু হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে ছাত্র
বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়ে ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন ও হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। একইসঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নয় দফা দাবির প্রতি সংহতি জানিয়েছেন
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নিষিদ্ধ হয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এবার সংগঠনটির সব অঙ্গসংগঠনের বিবৃতি প্রকাশ
নিজের জীবননাশের প্রচেষ্টা আগের ঘটনার মতো বারবার আসতে পারে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কিন্তু আমি পাত্তা দিই না। আল্লাহ জীবন দিয়েছেন এবং তিনি তা নিয়েও নেবেন। জনগণের কল্যাণে যা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জামায়াত-শিবির ও বিএনপি তাদের সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের জন্য সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি
কোটা আন্দোলন চলাকালে সহিংস ঘটনায় আটকদের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষার্থী থাকলে তাদের জামিনে মুক্তি পাওয়ার বিষয়ে সরকার আইনি সহায়তা দেবে। এছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ না থাকলে তাদের জামিনের ক্ষেত্রেও
আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলার মাটিতে জঙ্গিদের ঠাঁই হবে না। সেইভাবে আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। আমি দেশবাসীকে সজাগ থাকতে বলব, তাদের সহযোগিতা চাই। এছাড়া নিষিদ্ধ ঘোষণার
মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে ডক্টর ইউনূসের দাবি অসাংবিধানিক ও বেআইনি। বাংলাদেশের ওপর বিদেশি হস্তক্ষেপে তার বিবৃতি রাষ্ট্রদ্রোহিতার সামিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাধারন শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলনকে পূঁজি করে স্বাধীনতা বিরোধী জামাতে ইসলামী জঙ্গিগোষ্টী ও সরকার বিরোধী বিএনপি দেশব্যাপী ধ্বংশাত্মক কর্মকান্ড চালিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যার মাধ্যমে