বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পতিত স্বৈরাচারের ষড়যন্ত্রের নীল নকশা সম্পর্কে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন । শুক্রবার (৯ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান তিনি ।
নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণ করে নতুন এই সরকার। ৪০০ অথিতির উপস্থিতিতে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি। আমরা আমাদের কর্তব্য ঠিক মত করছিলাম। হঠাৎ করে আমাদের বলা হয় সেনাবাহিনী তোমাদের ক্যাম্পে আক্রমণ করছে তোমরা প্রস্তুত হও। আমরাও প্রস্তুত হই এবং ফায়ার
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেয়া ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি অ্যামিন এরদোগান। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের পর সামাজিক মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। তাদের দায়িত্ব বণ্টন করে শুক্রবার (৯ আগস্ট) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাতে শপথ নিয়েছেন
বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের শপতের পর আজ (শুক্রবার) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন তারা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিতে হয়েছে ২৭টি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। শুক্রবার (৯ আগস্ট)
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আহতদের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধাধীন রোগীদের দেখতে এসেছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার (০৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার পর তিনি
নবগঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ পরিচালনায় তরুণ প্রজন্মকে কাজে লাগাবে বলে জানিয়েছেন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ ভাগই তরুণ, কিন্তু এই তরুণদের
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পতন ঘটেছে আওয়ামী লীগ সরকারের। গঠিত হচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নেবেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এতে আনন্দের
দেশের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৮ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকার সরকারি ঋণ রেখে দেশ ছেড়ে গেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে এই ঋণ নেওয়া হয়।