বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সহিংসতায় নিহতের ঘটনায় রংপুরে পৃথক তিনটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে আগামী ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপিতে বইছে স্বস্তির হাওয়া। প্রায় ১৬ বছর পর বাধাহীনভাবে চলছেন নেতাকর্মীরা। দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া থেকে শুরু করে
বাংলাদেশে ভয়ংকর সহিংসতা হচ্ছে, বাড়িঘর পুড়ছে এবং কান্নাজড়িত কণ্ঠে মানুষ সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছ- এমন মর্মান্তিক সব ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীদের গণহত্যা’
ঢাকা মহানগর পুলিশের ৩২ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলিশ পরিদর্শককে (নিরস্ত্র) পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে। রোববার (১৮ আগস্ট) পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) কামরুল আহসান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের আওতায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তারা বিদ্যমান বৈষম্য নিরসনে প্রতিবাদ সভা ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তারা স্বাস্থ্য উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দীর্ঘদিনের
প্রায় পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর আবারো উৎপাদনে ফিরেছে সিলেটের শাহজালাল সার কারখানা। গ্যাস সঙ্কটের কারণে এত দিন ধরে বন্ধ ছিল কারখানাটি। চলতি বছরের ১৩ মার্চ থেকে বন্ধ হয়ে যায়
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পরিস্থিতি যখন খারাপের দিকে যাচ্ছিল, তখন সারাদেশে সেনা মোতায়েন করে শেখ হাসিনা সরকার। এর পরপরই ২ আগস্ট সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান এক কঠিন পরিস্থিতিতে পরেন। এদিন এক সেনাবাহিনীর এক
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ১১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়েছে। রবিবার
বিতর্কিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বিশেষ আইনের অধীন চলমান সব কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তবে দায়মুক্তির বিধান নামে পরিচিত এই বিশেষ আইনে ইতোমধ্যে সম্পাদিত চুক্তিগুলো বহাল থাকবে। তবে