

সারা দেশেই তাপমাত্রা কমার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। রাজশাহী, রংপুর ও ঢাকার অধিকাংশ জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কাছাকাছি তাপমাত্রা বিরাজ করছে। আগামী ১০ তারিখ পর্যন্ত ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সবগুলো জেলায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বিরাজ করবে।
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ বৃহস্পতিবার যশোরে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাজধানী ঢাকায় তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আরও ২-১ দিন সারা দেশে এমন তীব্র ঠান্ডা থাকবে। তারপর তাপমাত্রা একটু বাড়বে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মোহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, উচ্চচাপ বলয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ জুড়ে অবস্থান করছে। উচ্চচাপ বলয় থাকায় উত্তর-পশ্চিম থেকে হিমেল বাতাস বাংলাদেশের দিকে প্রবাহিত হওয়ার একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়। কয়েকদিন মধ্যরাত থেকে দীর্ঘ সময় ধরে কুয়াশা রয়েছে। দিনে সূর্যের আলো ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করতে পারে না। গড় তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে ঠাণ্ডার তীব্রতা বেড়েছে। দিনের চেয়ে রাত বড় হওয়ায় রাতে অনেকক্ষণ ধরে ঠাণ্ডা পড়ে। ঘন কুয়াশা ও বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকার কারণে শীতের অনুভূতিও তীব্রতা পাচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সর্বনিম্ন ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিলো মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
পাবনাতে তাপমাত্রা ছিলো ছিলো ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অধিকাংশ জেলায় তাপমাত্রা কমেছে। এসব বিভাগের অধিকাংশ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০-১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে।
তাপমাত্রা কিছুটা কমলে জেলাগুলোতে মৃদু শৈত প্রবাহ বয়ে যাবে। অন্যদিকে খুলনা বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের অধিকাংশ জেলায় তাপমাত্রা ১১-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে। এসব বিভাগের জেলাগুলোতে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে। সামনের দিনে সবগুলো জেলায় ঘন কুয়াশা আসতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের কোথাও কোথাও এটি দুপুর পর্যন্ত খাকতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা পার্থক্য হ্রাসের কারণে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যঅঞ্চল মাঝারি থেকে তীব্র শীত অনুভুতি অব্যাহত থাকতে পারে। আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুস্ক থাকতে পারে।
নিউজ /এমএসএম