

আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন আমরা সুষ্ঠুভাবে করতে পারছি এজন্য দেশের সকল জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। নির্বাচনে অনেক বাধা-বিপত্তি ছিল, কিন্তু দেশের মানুষ তারা তাদের ভোটের অধিকারের বিষয় সচেতন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পাঁচ বছর পর পর নির্বাচন আসে জনগণ ভোট দেবে, সে নির্বাচনের ভোট দেওয়ার পরিবেশ আমরা তৈরি করতে পেরেছি । যদিও নির্বাচন বানচাল করতে বিএনপি-জামায়াত জোটরা জ্বালাও পোড়াও অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে।রবিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর সিটি কলেজে ভোট দেওয়া পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনা উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ট্রেনে আগুন দেওয়া থেকে শুরু করে মানুষ পুড়িয়ে মারা, বোমা হামলা, ককটেল মারা, এসব জঘন্য কাজগুলো তারা (বিএনপি-জামায়াত) করেছে। তারা গণতন্ত্রের বিশ্বাস করে না। দেশপ্রেম নাই, মানুষের কল্যাণও চায় না। তারা গণতন্ত্রের ভালো চায় না। ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে বলেই দেশে উন্নতি হয়েছে। আমাদের সামনে আরো অনেক কাজ আছে, আমরা এগুলো সম্পন্ন করতে চাই।
তিনি বলেন, আশা করি জনগনের ভোটে নৌকা মার্কার জয় লাভ হবে। আবারো আমরা জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে, আমরা যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি তা বাস্তবায়ন করতে পারবো।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আমি আবারও বলবো, আজকে সুষ্ঠুভাবে ভোটকেন্দ্রে আসবেন, আপনার ভোটটা অনেক মূল্যবান। এ ভোটের অধিকারের জন্য অনেক সংগ্রাম করেছি। জেল, জুলুম, অত্যাচার, গ্রেনেড, অনেক কিছু আমাকে মোকাবিলা করতে হয়েছে। আজকে ভোটের অধিকার মানুষের হাতে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি, সেই ভোটের অধিকার পেয়েছে। জনগন সেটা তারা সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করতে পারবে। নির্বাচনটা অবাধ নিরপেক্ষ হবে। জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দিক, নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে হয় তার জন্য আমরা জনগণের সব ধরনের সহযোগীতা কামনা করি।
বিএনপি একটা সন্ত্রাসী দল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা (বিএনপি) নির্বাচনে বিশ্বাস করে না। কাজেই এরা তো ভোট কারচুপি আর মানুষের ভোট কেড়ে নেওয়া; এটাই তাদের চরিত্র। ২০০৮ সালে নির্বাচনে ৩০০ সিটের মধ্যে মাত্র ৩০ সিট পেয়েছিল। এরপর থেকে বিএনপি নির্বাচনের বিরুদ্ধে। মানুষের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা; এটাই তাদের চরিত্র।
উল্লেখ্য রবিবার সকাল ৮টার ৩ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা রাজধানীর ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে তার ভোট প্রদান করেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানমন্ডি সুধাসদনের ঠিকানায় ভোটার হওয়ায় তিনি এ কেন্দ্রে ভোট দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলও তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।