

দ্বিতীয় দিন শেষে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ২৭ রান। হারিয়েছে ৪ উইকেট। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে হলে করতে হবে ১২৮ রান। বাংলাদেশের প্রয়োজন ৬ উইকেট। ১৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর টেক্টর-মুর দিন পার করে দেন। টেক্টর ৮ ও মুর ১০ রানে অপরাজিত আছেন। সাকিব-তাইজুল নেন ২টি করে উইকেট।
সাকিব-তাইজুলের ঘূর্ণিতে আইরিশ ব্যাটিংয়ে ধস
আবার সাকিবের আঘাত। সাকিবের লেন্থ বলে ডিফেন্ড করতে চেয়েছিলে কার্টিস ক্যাম্পার। বল ব্যাটে হালকা স্পর্শ করে যায় লিটন দাসের হাতে। আম্পায়ার আউট দিলে রিভিউ নেন ক্যাম্পার। কিন্তু লাভ হয়নি। রিপ্লেতে দেখা যায় বল ব্যাট স্পর্শ করেই যায় লিটনের গ্লাভসে। ক্যাম্পার ১ রান করেন। ১৩ রানে ৪ উইকেট হারালো আয়ারল্যান্ড। দুটি করে উইকেট নেন সাকিব-তাইজুল।
তাইজুইলের জোড়া শিকার
সাকিবের পর তাইজুল। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া এই স্পিনার এবার উইকেট নিলেন নিজের দ্বিতীয় ওভারে। তাইজুলের লেন্থ বল কমিন্সের পায়ে লাগে। জোরালো আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিলেও কোনো লাভ হয়নি। আম্পায়ার্স কল হওয়াতে মাঠ ছাড়তে হট কমিন্সকে। ১২ বলে ১ রান করেন তিনি। পরের ওভারে এবার তাইজুল ফেরান আইরিশ অধিনায়ককে। ৩ রানে তাইজুলের ঘূর্ণিতে বোল্ড হন বালবির্নি। মাত্র ৮ রানে ৩ উইকেট হারালো আয়ারল্যান্ড।
প্রথম ওভারে সাকিবের উইকেট
প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে আসেন ৬৬ ওভারের সময়। এবার দ্বিতীয় ইনিংসে প্রথম ওভারেই আসেন সাকিব আল হাসান। চতুর্থ বলেই তুলে নেন উইকেট। সাকিবের আর্ম বল ম্যাককলামের ব্যাট মিস করে লাগে প্যাডে। আলিম দার জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি। রিভিউ নেন সাকিব। তাদেই দেখা উইকেটের। শূন্য রানে ফেরেন ম্যাককলাম।
৩৬৯ রানে থামলো বাংলাদেশ, লিড ১৫৫
প্রথম দুই সেশনে দাপট দেখালেও তৃতীয় সেশনটা ভালো যায়নি বাংলাদেশের। মাত্র ১৬.৩ ওভারে ৫৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিক শিবির। মিরাজের ফিফটিতে (৫৫) লিড পার হয় দেড়শ। সর্বোচ্চ ১২৬ রান করেন মুশফিক। সাকিবের ব্যাট থেকে আসে ৮৭ রান। মাঝে লিটন খেলেন ৪১ রানের ইনিংস। আয়ারল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ২১৪ রান করে। বাংলাদেশ করে ৩৬৯ রান। লিড ১৫৫। ম্যাকব্রিন ২৮ ওভারে ১১৮ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট। এ ছাড়া ২টি করে উইকেট নেন অ্যাডেয়ার ও হোয়াইট।

ম্যাকব্রিনের ৬ উইকেট, মিরাজের ফিফটি
ম্যাকব্রিনের শিকার হয়ে এবার সাজঘরে ফিরলেন এবাদত হোসেন। লেন্থ ডেলিভারিতে খোঁচা দেন উইকেটের পেছনে। এবাদত সাজঘরে ফিরলেও অন্যপ্রান্তে থাকা মিরাজ তুলে নিয়েছেন টেস্টের চতুর্থ ফিফটি। এক প্রান্তে ভরসা হয়ে ক্রিজে আছেন, চেষ্টা করছেন লিড বাড়ানোর। ৬৬ বলে ৬টি চার ও ২টি ছয়ে ফিফটি করেন মিরাজ। ক্রিজে তার সঙ্গী খালেদ। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ লিড দিয়েছে ১৪৭ রান।
ম্যাকব্রিনের ফাইফার
টানা চার উইকেট নিয়ে শেষদিকে বাংলাদেশকে চেপে ধরেন ম্যাকব্রিন। সবশেষ শরিফুল ইসলামকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরান ম্যাকব্রিন। তাতে ক্যারিয়ারে প্রথমবার ৫ উইকেটের স্বাদ পেলেন। এর আগে ইনিংসে ৭৭ রান দিয়ে ২ উইকেট ছিল সর্বোচ্চ। ম্যাকব্রিনের ঘুর্ণিযাদুতে বড় লিডের পথে থেকেও এখন ধুঁকছে স্বাগতিকরা। ভরসা হয়ে ক্রিজে আছেন মিরাজ। বাংলাদেশের লিড ১৪০ রান। হাতে আছে ২ উইকেট।

সাজঘরে তাইজুল, ভরসা মিরাজ
ম্যাকব্রিনকে অফসাইডে খেলতে চেয়েছিলেন তাইজুল। ব্যাটে-বলে এক হলো না। বল সরাসরি আঘাত করে উইকেটে। ১২ বলে ৪ রানে থামলো তার ইনিংস। ক্রিজে মিরাজের সঙ্গী শরিফুল। বাংলাদেশ লিড দিয়েছে ১২৩ রানের। হাতে আছে ৩ উইকেট।
১২৬ রানে থামলেন মুশফিক
ম্যাকব্রিনের অফ স্ট্যাম্পের ফুল লেন্থ বলে এগিয়ে এসে হাঁকিয়েছিলেন মুশফিক। টাইমিং ঠিক মতো হয়নি। লং অনে দাঁড়ানো কমিন্স দৌড়ে এসে দারুণ ক্যাচ নেন। সাজঘরে ফেরেন সেঞ্চুরিয়ান মুশফিক। মুমিনুলের আউটে দল যখন চাপে সাকিব-মুশফিক জুটি গড়ে পালটা আক্রমণ করেন। সাকিব ১৩ রানের জন্য পাননি সেঞ্চুরি, মুশফিক কাজে লাগিয়েছেন সুযোগ। ১৬৬ বলে ১৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ১২৬ রান করেন মুশফিক। ক্রিজে মিরাজের সঙ্গী তাইজুল।
চা বিরতিতে বাংলাদেশ
দিনের প্রথম সেশনের মতো দ্বিতীয় সেশনেও বাংলাদেশ ২৭ ওভারে ১৩৬ রান করে। তবে এবার ২ উইকেট হারিয়েছে। সেঞ্চুরি করে মুশফিক অপরাজিত আছেন ১২৪ রানে। তার সঙ্গে ১৮ রানে ক্রিজে আছেন মিরাজ। এই সেশনে বাংলাদেশের আক্ষেপ সাকিবের সেঞ্চুরি মিস হওয়া। ৮৭ রান করে তিনি সাজঘরে ফিরেন। এ ছাড়া লিটন আউট হন ৪১ রানে। দ্বিতীয় সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩১৬ রান। লিড ১০২ রান।

মুশফিকের সেঞ্চুরির পর লিটনের বিদায়
মুশফিকের সেঞ্চুরির পর লিটনের বিদায়। ৮টি চারের মারে ৪১ বলে ৪৩ রান করেন লিটন। হোয়াইটের আউট সাইড অফের ফুল বলে মিড অফে খেলতে চেয়েছিলেন লিটন। টাইমিং ঠিকমতো হয়নি। মিড অফে সহজ ক্যাচ ধরেন টেক্টর। এটি টেস্টে হোয়াইটের প্রথম উইকেট। এর ১ বল আগেই আইরিশ ফিল্ডারদের ভুলে নিশ্চিত রানআউট থেকে বেঁচে যান লিটন। জীবন পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। মিরাজ ক্রিজে এসেই চার দিয়ে শুরু করেন।
চার মেরে মুশফিকের সেঞ্চুরি
অ্যাডেয়ারের আউটসাইড অফের বল মুশফিক খেলতে চেয়েছিলেন থার্ডম্যান দিয়ে। বল ব্যাটে লেগে উইকেটরক্ষক-স্লিপের মাঝ দিয়ে চলে যায় বাউন্ডারির বাইরে। ১৩৫ বলে মিস্টার ডিপেন্ডেবল দেখা পান ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরির। ১৩টি চার ও ১টি ছয়ে সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজান মুশফিক। এর আগে ফিফটি পেয়েছিলেন ৬৯ বলে।
মুশফিক-লিটন জুটির ফিফটি
সাকিবের আউটের পর মাঠে এসেই আগ্রাসী ক্রিকেট খেলছেন লিটন দাস। প্রথম ওভারে ৩ বাউন্ডারি হাঁকিয়ে লিড এনে দেন বাংলদেশকে। অন্য প্রান্তে মুশফিকও কম যান না। সুযোগ পেলেই হাঁকাচ্ছেন বাউন্ডারি। তিনি এখন সেঞ্চুরির কাছে। দুজনের জুটির ফিফটি হয় ৫৬ বলে।
বাংলাদেশের লিড
সাকিবের বিদায়ের পর ক্রিজে এসেই লিটন এক ওভারে ৩ চার হাঁকান। আইরিশদের ২১৪ রান টপকে লিড দেয় বাংলাদেশ।
সাকিবের বিদায়
অসাধারণ খেলতে থাকা সাকিব অহেতুক শট খেলতে গিয়ে মিস করেন সেঞ্চুরি। আউটসাইড অফের বল লেগে সুইপ করতে চেয়েছিলেন সাকিব, বল ব্যাটের কোনায় লেগে যায় উইকেটরক্ষক টকারের হাতে। ১৪টি চারে ৮৪ বলে ৮৭ রান করেন সাকিব। তার আউটে ভাঙে ১৫৯ রানের জুটি।

মধ্যাহ্ন বিরতির পর সাকিব-মুশফিক জুটির দেড়শ
যেভাবে খেলে মধাহ্ন বিরতিতে গিয়েছিলেন সাকিব-মুশফিক ঠিক সেভাবেই খেলছেন বিরতির পরও। দুজনেই খেলছেন আগ্রাসী ক্রিকেট। প্রতি ওভারেই আসছে বাউন্ডারি। ম্যাকব্রিনকে দারুণ চারে জুটির দেড়শ রান পূর্ণ করেন মুশফিক। ১৭৬ বলে তারা এই রান যোগ করেন।

প্রথম সেশনে বাংলাদেশের কতৃত্ব
দিনের তৃতীয় ওভারে বিদায় নেন মুমিনুল হক। সেই ধাক্কা সামলে প্রথম বল থেকেই আক্রমণে যান সাকিব আল হাসান। সঙ্গী মুশফিকুর রহিমও কম যাননি। দুজনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে প্রথম সেশনে বাংলাদেশ ছড়ি ঘোরায় আইরিশ বোলারদের উপর। ফিফটি তুলে নেন দুজনেই। দুজনে ১৪৬ বলে জুটিতে যোগ করেন ১৩০ রান। সাকিব ৭৪ ও মুশফিক ৫৩ রানে অপরাজিত থেকে মধ্যাহ্ন বিরতিতেন গিয়েছেন। বাংলাদেশ দিনের প্রথম সেশনে ২৭ ওভারে যোগ করে ১৩৬ রান। আইরিশদের থেকে এখনো পিছিয়ে আছে ৪৪ রানে।
এবার চার মেরে মুশফিকের হাফ সেঞ্চুরি
টেক্টরকে সুইপ করে ৬৯ বলে ফিফটির দেখা পান মুশফিকুর রহিম। এটি তার ক্যারিয়ারের ২৬তম ফিফটি। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬টি চার ও ১টি ছয়ে। তার ফিফটির আগে সাকিবের সঙ্গে জুটির সেঞ্চুরি হয়।

১০৯ বলে সাকিব-মুশফিক জুটির সেঞ্চুরি
দিনের শুরুতে মুমিনুলের বিদায়ের পর আগ্রাসী ক্রিকেট খেলে পালটা আক্রমণ করেছে বাংলাদেশ। সাকিব-মুশফিকের জুটিতে মাত্র ১০৯ বলে বাংলাদেশ ১০০ রান যোগ করে স্কোরবোর্ডে। তাতে সাকিবের একার অবদানই ৬৩ রান। মুশফিকের অবদান ৩৩। বাকি ৪ রান আসে অতিরিক্ত থেকে।
টানা দুই চারে ৪৫ বলে সাকিবের হাফ সেঞ্চুরি
হোয়াইটকে বিহাইন্ড দ্য স্কয়ারে চারের মারের পর সাকিব এবার বাউন্ডারির বাইরে পাঠালেন লং অন দিয়ে। টানা দুই চারে মাত্র ৪৫ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩১তম ফিফটির দেখা পান বাংলাদেশ অধিনায়ক। ক্রিজে এসে ৬২ মিনিটে ৯টি চারে এই ফিফটির দেখা পেয়েছেন সাকিব। এর আগে মুমিনুলের বিদায়ের পর জুটির ফিফটি গড়ে প্রতিরোধ গড়েছিলেন। এবার নিজেই ফিফটি তুলে নিলেন।

আগ্রাসী সাকিবে ২৪ ওভার শেষ না হতেই বাংলাদেশের ১০০
ম্যাকব্রিনের আউটসাইড অফের বল। এক হাঁটু গেঁড়ে সুইপ করলেন সাকিব। কোনো ফিল্ডার না থাকায় ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে সহজেই চার হয়ে যায়। বাংলাদেশ ২৩.৫ ওভারে দলীয় ১০০ রান করে। পরের বলেও ঠিক একই জায়গায় একইভাবে চার হাঁকান বাংলাদেশ অধিনায়ক। শুরু থেকেই সাকিব আগ্রাসী খেলছেন। প্রথম সেশনে পানি পানের বিরতির আগে সাকিবের রান মাত্র ৩৬ বলে ৪১। সঙ্গী মুশফিক খেলছেন ৩৭ বলে ২২ রান নিয়ে।

হাত খুলে খেলছেন সাকিব-মুশফিক, জুটির ফিফটি
ক্রিজে এসে চার মেরে শুরু করেছিলেন সাকিব আল হাসান। সঙ্গী মুশফিকুর রহিমও রান তোলার চেষ্টা করছেন। দুজনের জুটির ফিফটি হয় মাত্র ৫৪ বলে। তবে মুশফিকের তুলোনায় সাকিবকে আগ্রাসী দেখা যাচ্ছে। ফিফটির জুটিতে দুজনে হাঁকিয়েছেন ৮টি বাউন্ডারি, তাতে সাকিবের একারই ৫টি।
দিনের শুরুতেই বোল্ড মুমিনুল
প্রথম বলে অ্যাডেয়ারকে এক্সট্রা কাভারে দারুণ চারের দিনের শুরু করেছিলেন মুমিনুল হক। শুরুতে সম্ভাবনা দেখানো মুমিনুল কাটা পড়লেন তৃতীয় ওভারে। সেই অ্যাডেয়ারের লেগ স্ট্যাম্পে করা বল খেলতে গিয়ে মিস করেন, ভেঙে দেয় উইকেট। ১২ রানে দিন শুরু করে মুমিনুল আর যোগ করতে পারলেন মাত্র ৫ রান। ৩৪ বলে তিনি ১৭ রান করেন। ক্রিজে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী সাকিব আল হাসান। এসেই বাংলাদেশ অধিনায়ক চার হাঁকান।

দ্বিতীয় ওভারে রিভিউ হারায় আয়ারল্যান্ড
গ্রাহাম হুমকে ফ্লিক করতে যেয়ে টাইমিং গড়বড় করেন মুমিনুল হক। বল লাগে পায়ে। জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দেনননি। রিভিউ নিলে দেখা যায় প্যাডে লাগার আগে বল ব্যাট স্পর্শ করে যায়। রিভিউ হারায় আয়ারল্যান্ড।
চারের মারে দিনের শুরু
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমেছে বাংলাদেশ। ১৮০ রানে পিছিয়ে থেকে দিন শুরু করে স্বাগতিক শিবির। প্রথম বলেই অ্যাডেয়ারকে এক্সট্রা কাভারে চার মেরে দিন শুরু করেছিলেন মুমিনুল হক। সঙ্গে ছিলেন নতুন ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম।
চোখ বড় জুটিতে
প্রথম দিন শেষে ফাইফার নেওয়া তাইজুল ইসলাম জানিয়েছেন বাংলাদেশের এখন একটি বড় জুটি প্রয়োজন। দিনের শেষ বলে তামিম ইকবালের আউটে কিছুটা ব্যাকফুটে আছেন বলেও মনে হয় তার।
‘না এটা আসলে এমন সময় উইকেটটা (তামিমের আউট) পড়ছে যে, আমরা একটু ব্যাকফুটে। ব্যাকফুটে বলব না ঠিক, হইতে পারে। বাট এখান থেকে ক্যাম ব্যাক করাটা ইম্পর্ট্যান্ট আরকি। আপনি যদি ওদেরকে একটা বড় স্কোর দিতে চান, এখন একটা বড় পার্টনারশিপ লাগবে।’

তামিমের আউটের আক্ষেপে দিন শেষ
আরেকটি বল বাকি ছিল! কিন্তু পারলেন না তামিম ইকবাল। ম্যাকব্রিনের ঘূর্ণিতে পরাস্ত হলেন তিনি। অফে পিচ করা বল হালকা বাউন্স করেছিল। তামিম ডিফেন্ড করতে চেয়েছিলেন কিন্তু হলো না। বল ব্যাটে লেগে যায় দ্বিতীয় স্লিপে। ৩৬ বলে ২১ রানে ফেরেন তামিম। প্রথম দিন (মঙ্গলবার) শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৪ রান। মুমিনুল অপরাজিত আছেন ১২ রানে। এর আগে প্রথম ওভারে নিজের প্রথম বলেই ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ইনিংসে আয়ারল্যান্ড ২১৪ রানে অলআউট হয়। বাংলাদেশ ১৮০ রানে পিছিয়ে আছে। আইরিশদের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন অ্যাডেয়ার-ম্যাকব্রিন।
নিউজ /এমএসএম