

তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অনেকে। এর মধ্যেই সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়শতাধিক লোকের প্রাণহানি হয়েছে।
এই ভূমিকম্পের ঘটনায় তুরস্কে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) উদ্ধারকারী দল পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির সংকট ব্যবস্থাপনা কমিশনার। এক টুইটে কমিশনার জেনেজ লেনারসিক বলেন, ইতোমধ্যে নেদারল্যান্ডস ও রোমানিয়ার উদ্ধারকারী দলগুলো রওনা হয়েছে।
ভূমিকম্পের ঘটনায় তুরস্কে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। জরুরি অবস্থা জারির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়ে ‘লেভেল ৪’ সংকেতও জারি করেছে দেশটির সরকার।
৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্কের বিভিন্ন শহরে ধসে পড়েছে অসংখ্য ভবন। সেসব ভবনের নিচে আটকে পড়া হতাহতদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা শুরু করেছে দেশটির সরকারি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর এএফএডি ও পুলিশবাহিনীর সদস্যরা।
বিবিসির খবরে বলা হয়, ভূমিকম্পে উভয় দেশে অনেক ভবন ধসে পড়েছে। এতে অনেকেই আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার ভোররাত চারটা ১৭মিনিটে তুরস্কের নুরদাগি এলাকা থেকে ২৩ কিলোমিটার পূর্বে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। ভূম্পিকম্পটি রাজধানী আঙ্কারা ও তুরস্কের অন্যান্য শহরেও অনুভূত হয়েছে। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট পুরো অঞ্চল জুড়েই কম্পন অনুভূত হয়েছে। গাজিয়ানতেপ শহরের কাছে এর গভীরতা ছিল মাত্র ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার।
নিউজ /এমএসএম