বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

নবীগন্জে

অপহরণের দুই বছর পর পুলিশের হাতে প্রেমিক জুটি আঠক

এম,এ আহমদ আজাদ
  • খবর আপডেট সময় : বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৩৪০ এই পর্যন্ত দেখেছেন

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে অপহরণের দুই বছর পর ফাঁদ পেতে প্রেমিক জুটিকে র‌্যাব ও পুলিশ গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে জামালপুর জেলার নন্দী বাজার এলাকায় আটক করেছে । এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানাগেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের নোয়াগাও গ্রামের শেখ জিয়া উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও একই গ্রামের লন্ডন প্রবাসী শেখ আবদাল মিয়ার ১৪ বছরের কন্যা খাগাউড়া আব্দুল ওয়াহিদ হাই স্কুলের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী রেশমা বেগমের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্পর্কের সুবাদে গত ২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রেমিক যুগল বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় মেয়ের পিতা শেখ আবদাল মিয়া বাদী হয়ে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে ৬জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতে নির্দেশে থানায় মামলা রের্কড করা হয়। মামলা দায়েরের পর অপহৃতাকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় পুলিশ।

মামলার মুল আসামী আব্দুর রাজ্জাক ব্যাতিত অন্যান্য আসামীরা আদালতে আত্বসর্ম্পন করলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করেন। র্দীঘ ৬ মাস আসামীরা জেল হাজতে থাকার পরে হাইকোর্টের জামিনের বেড়িয়ে আসেন। এর পর থেকে হন্য হয়ে ঐ প্রেমিক জুটিকে খোঁজা হচ্ছিল।

কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পুলিশ ও র‌্যাব উন্নত প্রযুক্তি ব্যাবহার করে প্রায় দুই বছর ছেলে মেয়েকে উদ্ধার করতে একাধিক বার অভিযান চালিয়ে ব্যার্থ হলেও অবশেষে ঘটনার দুই বছর পর  সোমবার দিবাগত রাতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই শফিক র‌্যাবের সহায়তায় জামালপুর জেলার শেরপুর এলাকায় নন্দী বাজার এলাকার জনৈক জামাল শেখের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে প্রেমিক অপহরণ মামলার প্রধান আসামী আব্দুর রাজ্জাক ও তার প্রেমিকা স্ত্রী রেশমা বেগমকে আটক করে নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন।

আঠক প্রেমিক জুটিকে ৬ডিসেম্বর হবিগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

অপহরণ মামলার প্রধান আসামী আব্দুর রাজ্জাক জানান, রেশমা বেগম তার বিবাহিত স্ত্রী। তিনি রেশমাকে অপহরণ করে নি, তারা দুজনে ভালোবেসে বিয়ে করেছেন।

ভিকটিম প্রেমিকা রেশমা বেগম জানান, তার বাবা একজন মামলাবাজ খারাপ লোক। তিনি তার চাচাতো ভাইদের ফাঁসানোর জন্য ৬জনকে আসামী করে মামলা করেছেন। আসামী তাকে এবিষয়ে কোন সহযোগিতা করেন নাই। তারা ভালোবেসে ঢাকার সাভারে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে দুই বছর পুর্বে বিয়ে করে জামালপুর জেলার শেরপুর এলাকায় ধর্মীয় পিতা ও বিয়ের উকিল জামাল শেখের আশ্রয়ে ছিলেন।

নবীগঞ্জ থানার ওসি ডালিম আহমদ  বলেন ছেলে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর অপহরণ মামলাটি সাজানো মনে হচ্ছে। ভিকটিম ও আসামী আদালতে স্বীকারোক্তি মুলক বক্তব্য দিলেই সব কিছু পরিস্কার হয়ে যাবে।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102