

আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম, ঠিক সেভাবেই আইএমএফের ঋণ পেতে যাচ্ছি বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
বুধবার (৯ নভেম্বর) সফররত আইএমএফ মিশনের সঙ্গে সমাপনী বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আগে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। চলমান ঋণ আলোচনার পর্বটি আজ সফলভাবে শেষ হলো। সফররত দলটি বাংলাদেশ সরকারের সকল স্টেকহোল্ডার-দের সঙ্গে আলোচনা করেছে।
অর্থমন্ত্রী আইএমএফের এই ঋণ কর্মসূচির ক্ষেত্রে অর্থনীতির বহি:খাত স্থিতিশীল করা, ২০২৬ সালে এলডিসি হতে উত্তরণকে সামনে রেখে অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তি দেয়া, আর্থিক খাত শক্তিশালী করা; এবং বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা করে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া- এই চারটি মূল লক্ষ্যের উল্লেখ করেন।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের বাজেট ঘাটতি ধারণযোগ্য পর্যায়ে রাখা হবে, যা গত প্রায় ১৪ বছর ধরে আমরা করে আসছি। আমাদের সরকারের সবসময় প্রচেষ্টা থাকে বাজেট ঘাটতি জিডিপির পাঁচ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখা। গত বছর আমাদের বাজেট ঘাটতি ছিল ৫.১ শতাংশ যা এই অর্থবছরে ৫.৫ শতাংশ ধরা আছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো সামাজিক খাতে সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি করা যা আমরা প্রতি অর্থবছরে ক্রমান্বয়ে বাড়াচ্ছি। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে চলতি অর্থবছরে আমাদের বরাদ্দ রয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা যা মোট বাজেটের প্রায় ১৭ শতাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এবং অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন।
ইউকেবিডিটিভি/ বিডি / এমএসএম