মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন

জমকালো আয়োজনে বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড: মফস্বলের ৬৪ জন গুণী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মাননা

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০২২
  • ২৯৫ এই পর্যন্ত দেখেছেন

স্টাফ  রিপোর্টার: জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান। গতকাল রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১১ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। পাশাপাশি তৃণমূল সাংবাদিকতার প্রসারে ভূমিকা রাখায় ৬৪ জন গুণী সাংবাদিককে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সভাপতিত্ব করেন ‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২১’ আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর।পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে রাত ৮টায় শুরু হয় এ অনুষ্ঠান। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণ এবং খ্যাতনামা সাংবাদিক, কলামিস্ট ও লেখক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে অনুষ্ঠানে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২১ প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে গতকাল সরগরম হয়ে ওঠে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)। বিকাল থেকে অনুষ্ঠানস্থলে আসতে শুরু করেন অতিথিরা। সন্ধ্যা নাগাদ মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো আইসিসিবি প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানে দেশের সর্ববৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, আগামী বছর ২৫ জন অনুসন্ধানী সাংবাদিককে বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে। আর তাদের প্রত্যেককে দেওয়া হবে ১০ লাখ টাকা। প্রতি বছরই এই আয়োজন করবে বসুন্ধরা গ্রুপ। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মানোন্নয়নের সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। বসুন্ধরা গ্রুপ গণমাধ্যমের উদ্যোগ গ্রহণের পর সাংবাদিকের মান উন্নয়ন হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো কিছু লেখার আগে আরও বেশি সত্যতা যাচাই করবেন। একজন ব্যবসায়ী এই পর্যায়ে আসতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। ভালোকে ভালো বলুন, সত্যকে সত্য বলুন, মিথ্যাকে মিথ্যা বলুন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এমন একটি আয়োজন করার জন্য বসুন্ধরা গ্রুপকে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের পুরস্কার দেওয়ার জন্য। আমি বিশ্বাস করি, এই ধরনের পুরস্কার প্রদান অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে উৎসাহিত করবে। গুণী সাংবাদিকদের পুরস্কৃত করার মধ্য দিয়ে গণমাধ্যম উপকৃত হবে। সাংবাদিকরা সমাজকে সঠিকভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে যে ভূমিকা পালন করতে পারেন। অন্যান্য পেশার মানুষ তা পারেন না। তিনি বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। গণমাধ্যমের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সমাজের বিকাশ হয়। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা যা সমাজকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে সমাজের তৃতীয় নয়ন খুলে দিতে এবং অবহেলিত দিকগুলোতে সমাজের দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে যেভাবে ভূমিকা রাখে, তা অন্য কোনো পেশার মানুষ পারে না। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ভিন্ন মাত্রার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের সাংবাদিকতায় ঝুঁকি থাকে, জীবন বিপন্ন হতে পারে। সেসব অতিক্রম করে সাংবাদিককে কাজ করতে হয়। পথের পাশের বিপন্ন মানুষগুলোর জীবনের যে গল্প, যে বেদনা, সেটিও তুলে আনতে পারে অনুসন্ধানী সাংবাদিকই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার মনে করে গণমাধ্যমের বিকাশের সঙ্গে রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক সমাজের বিকাশ নিহিত উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সে কারণেই বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে গত সাড়ে ১৩ বছরে সংবাদপত্র, বেতার, টেলিভিশন ও অনলাইন গণমাধ্যমের প্রতিটি ক্ষেত্র যুগান্তকারী বিকাশ লাভ করেছে। একই সঙ্গে অসুস্থ প্রতিযোগিতা ও আইনবিরোধী চর্চা কমে এসেছে।’ আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতিতে আমরা বিশ্বাস করি, লালন করি। সমালোচনা পথ চলাকে শানিত করে, কাজকে বিশুদ্ধ করে।

বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম বলেন, বাংলাদেশে সাংবাদিকতা একটি কঠিক কাজ। এ পেশাটিকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য দায়িত্ব পালন করছি আমরা। এ ব্যাপারে সারা দেশের সাংবাদিকদের আমরা সহায়তা পাচ্ছি। এ পুরস্কারের মাধ্যমে সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়ন হবে। বিশেষ করে গ্রামীণ সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে এটা সহায়ক হবে। এ অনুষ্ঠান করার জন্য বসুন্ধরা গ্রুপকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২১’-এর জুরিবোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান বলেন, এ অনুষ্ঠানটি একটি অসাধারণ অনুষ্ঠান। সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহের কাজটি সহজ নয়। তারা মানুষকে বিভিন্ন সময় তথ্য দেন। সাংবাদিকতায় যারা নিয়োজিত তারা শুধু নিজেরটা দিয়ে যান। সমাজে রেখে যান অনন্য অবদান।

অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও চিত্রনায়িকা বুবলী। আয়োজক কমিটি জানায়, দেশবরেণ্য আটজন গুণী ব্যক্তিত্বের সমন্বয়ে গঠিত জুরিবোর্ড দেশের সেরা অনুসন্ধানী সাংবাদিক নির্বাচিত করেছেন। ঢাকা এবং মফস্বল থেকে পাওয়া কয়েক শ প্রতিবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেছেন জুরিবোর্ডের সদস্যরা। আজকের পত্রিকার সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমানের নেতৃত্বে জুরিবোর্ডে ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত, সাংবাদিক নেতা মনজুরুল আহসান বুলবুল, দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সম্পাদক অমিত হাবিব, আলোকচিত্রী ও লেখক নাসির আলী মামুন, চলচ্চিত্র শিক্ষক গবেষক ও পরামর্শক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া, অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলফিকার আলি মাণিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাওন্তী হায়দার।

বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড আয়োজক কমিটি জানায়, প্রথমবারের মতো এ আয়োজনে পুরস্কার পেলেন ১১ জন সাংবাদিক। মুক্তিযুদ্ধ, অপরাধ ও দুর্নীতি, নারী ও শিশু ক্যাটাগরির প্রতিটিতে প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমের সেরা তিনটি প্রতিবেদন করে মোট ৯ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্র ও আলোকচিত্রের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয় দুজনকে। প্রত্যেক বিজয়ী পেয়েছেন আড়াই লাখ টাকা, ক্রেস্ট এবং সনদপত্র। অন্যদিকে তৃণমূল সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সারা দেশের ৬৪ জনকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। তারা পেয়েছেন ১ লাখ টাকার চেক, সম্মাননা স্মারক এবং উত্তরীয়।

অনুষ্ঠানে সম্মাননা পাওয়া পাবনার গুণী সাংবাদিক রণেশ মৈত্র তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমি সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে দেখেছি। একসময় পাকিস্তানের নীতি-আদর্শের বিরুদ্ধে রাজপথে মিছিল করেছি। কোনো জায়গায় ব্যর্থ হইনি। জেল খেটেছি প্রায় ১২ বছর। গোটা পাকিস্তান আমলের অধিকাংশ সময় আমি জেলে ছিলাম। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে দেড় বছর জেল খেটেছি। এ সময় বসুন্ধরা গ্রুপ সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি একটি বিরাট প্রতিষ্ঠান। বসুন্ধরার কারও সঙ্গে আমার পরিচয় না থাকলেও তাঁরা আমাকে গুণীজন সংবর্ধনার জন্য নির্বাচিত করেছেন। আমি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে সাংবাদিকরা আহত হচ্ছেন উল্লেখ করে এ আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন রণেশ মৈত্র।

অ্যাওয়ার্ড পেলেন যারা : মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে ডেইলি স্টারের আহমাদ ইশতিয়াক, মাছরাঙা টেলিভিশনের কাওসার সোহেলী, জাগোনিউজ২৪.কমের সালাহ উদ্দিন জসিম, অপরাধ ও দুর্নীতি ক্যাটাগরিতে দেশ রূপান্তরের শোয়েব চৌধুরী, জিটিভির জান্নাতুল ফেরদৌসী, নিউজ বাংলা২৪.কমের জেসমিন পাপড়ি, নারী ও শিশু ক্যাটাগরিতে সমকালের রাজীব আহাম্মদ, আনন্দ টিভির শওকত সাগর, ঢাকা পোস্টের আদনান রহমান, অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্রে মাছরাঙা টেলিভিশনের মাজাহারুল ইসলাম এবং আলোকচিত্রে প্রথম আলোর দীপু মালাকার পুরস্কার গ্রহণ করেন।

৬৪ জেলা থেকে যারা পেলেন সম্মাননা

দেশের তৃণমূল সাংবাদিকতায় অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি জেলা থেকে একজন করে মোট ৬৪ জন প্রবীণ ও গুণী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এক জমকালো অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সম্মাননাপত্র তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়াও দেওয়া হয় নগদ অর্থ, সম্মাননা স্মারক ও উত্তরীয়। বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় অ্যাওয়ার্ড প্রদান উপলক্ষে গুণী সাংবাদিকদের এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

সম্মাননাপ্রাপ্ত ৬৪ জন সাংবাদিকের মধ্যে রাজশাহী বিভাগের আটজন হলেন রাজশাহীর মো. তৈয়বুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মো. তসলিম উদ্দিন, নাটোরের এস এম মনজুর উল হাসান, পাবনার রণেশ মৈত্র, সিরাজগঞ্জের রফিকুল আলম খান, জয়পুরহাটের আছাদুল ইসলাম আসাদ, নওগাঁর মো. নবির উদ্দীন ও বগুড়ার এ এস এম খবিরুল হক (সমুদ্র হক)।রংপুর বিভাগের গুণী সাংবাদিকরা হলেন লালমনিরহাটের এস এম শফিকুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের মো. শাহাবুদ্দিন, ঠাকুরগাঁওয়ের মো. আবদুল লতিফ, রংপুরের সদরুল আলম দুলু, পঞ্চগড়ের আমীর খসরু লাবলু, দিনাজপুরের চিত্ত ঘোষ, নীলফামারীর মো. শামসুল ইসলাম ও গাইবান্ধার গোবিন্দলাল দাস।

ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে দেওয়া হয় জামালপুরের এ এ কে মাহমুদুল হাসান দারা, ময়মনসিংহের আবদুর রাজ্জাক, নেত্রকোনার মো. আবদুস সালাম ও শেরপুরের সুশীল মালাকার।

ঢাকা বিভাগ থেকে সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা জেলার মো. শফিক চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জের হাফিজুর রহমান মিণ্টু, মুন্সীগঞ্জের রশীদ আহমদ, নরসিংদীর নিবারণ চন্দ্র রায়, কিশোরগঞ্জের সুবীর বসাক, মানিকগঞ্জের সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু, রাজবাড়ীর মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, গোপালগঞ্জের রবীন্দ্র নাথ অধিকারী, ফরিদপুরের এস এম তমিজ উদ্দিন, মাদারীপুরের মো. শাহজাহান খান, শরীয়তপুরের আবদুস সামাদ তালুকদার, টাঙ্গাইলের দুর্লভ বিশ্বাস ও গাজীপুরের মো. নজরুল ইসলাম বাদামী।

খুলনা বিভাগ থেকে সম্মাননা দেওয়া হয় বাগেরহাটের এ বি এম মোশাররফ হুসাইন, চুয়াডাঙ্গার মো. কামরুল আরেফিন, যশোরের অধ্যাপক মসিউল আযম, ঝিনাইদহের বিমল কুমার সাহা, মাগুরার ফারুক আহমদ, খুলনার কাজী মোতাহার রহমান, সাতক্ষীরার চৌধুরী সুভাষ চন্দ্র, নড়াইলের ভক্ত সরকার, মেহেরপুরের তোজাম্মেল আযম ও কুষ্টিয়ার আবদুর রশীদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম বিভাগের গুণী সাংবাদিকরা হলেন চট্টগ্রাম জেলা থেকে নাছির উদ্দিন চৌধুরী, কুমিল্লার আবুল হাসানাত বাবুল, ফেনীর ওছমান হারুন মাহমুদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. আরজু মিয়া, রাঙামাটির এ কে এম মকছুদ আহমেদ, নোয়াখালীর এ কে এম জুবায়ের, চাঁদপুরের গোলাম কিবরিয়া, লক্ষ্মীপুরের হোসাইন আহমেদ হেলাল, কক্সবাজারের প্রিয়তোষ পাল পিণ্টু, খাগড়াছড়ির তরুণ কুমার ভট্টাচার্য ও বান্দরবানের প্রিয়দর্শী বড়ুয়া।

বরিশাল বিভাগ থেকে রয়েছেন বরিশাল জেলার মানবেন্দ্র বটব্যাল, ঝালকাঠির মানিক রায়, পটুয়াখালীর আমিরুল ইসলাম, পিরোজপুরের মাহমুদ হোসেন শুকুর, ভোলার এম হাবিবুর রহমান ও বরগুনার চিত্তরঞ্জন শীল।

এ ছাড়াও সিলেট বিভাগ থেকে রয়েছেন সিলেট জেলার আবদুল মালিক চৌধুরী, মৌলভীবাজারের আহমদ সিরাজ, হবিগঞ্জের চৌধুরী ফজলে নূর ইসমত ও সুনামগঞ্জের মো. ইকবাল হোসেন কাগজী।

ইউকেবিডিটিভি/ বিডি / এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102