শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন

শ্রদ্ধাবোধের সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৯৪ এই পর্যন্ত দেখেছেন

স্টাফ রিপোর্টার: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে বিশেষ বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। বাণীতে তিনি রাজনৈতিক দলসহ দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি সহিষ্ণুতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বলেন, ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মহান বিজয় দিবস। দীর্ঘ সংগ্রাম এবং ৯ মাসের দীর্ঘ এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের এই দিনে আমরা বহুল প্রতীক্ষিত বিজয় অর্জন করি। এ বছর দেশবাসী আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। সাথে আছে আরও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, যা বাঙালির বিজয়োৎসবে যোগ করেছে এক অনন্য মাত্রা। আনন্দঘন এ মুহূর্তে আমি দেশবাসী ও প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাচ্ছি বিজয়ের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

স্বাধীনতাকে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের এ অর্জন জাতিকে এনে দিয়েছে একটি সার্বভৌম দেশ, স্বাধীন জাতিসত্তা, পবিত্র সংবিধান, নিজস্ব মানচিত্র ও লাল-সবুজের পতাকা। তবে এ অর্জনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ শোষণ-বঞ্চনার ইতিহাস, রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ইতিহাস। ৫২-র ভাষা আন্দোলনের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতার যে বীজ বপন হয়েছিল, দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম ও নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে তা পূর্ণতা পায়। তারই নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের এই দিনে অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তি। পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরে জাতির পিতা সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে কাজ শুরু করেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু ঘাতকচক্রের হাতে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতাসহ তার পরিবারের আপনজনদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ফলে উন্নয়নের সেই গতি থমকে দাঁড়ায়। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে থমকে দিয়ে স্বৈরশাসন ও অগণতান্ত্রিক সরকারের উদ্ভব হয়।

ব্রিটেনের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনমিক অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চের বরাত দিয়ে তিনি জানান, বাংলাদেশ আজ বিশ্বের ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। ২০৩৫ সাল নাগাদ বাংলাদেশ বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে।

দেশে আজ গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজকে পরিপূর্ণতা দানের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102