

নবীগঞ্জ উপজেলার শেরপুর (ভুমিহীন) গ্রামে রবিবার (২১ জুন) বিকালে স্বামীর হাতে ৪ সন্তানের জননী রিপন আক্তার (৩৫) খুন হয়েছে। এ সময় স্বামী আত্মহত্যার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার ও ঘাতক স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, রবিবার (২১ জুন) নবীগঞ্জ উপজেলার করগাওঁ ইউনিয়নের শেরপুর ভুমিহীন গ্রামের ছল্লুক মিয়ার ছেলে আশিক মিয়া প্রায় ৬ মাস ধরে শশুড়বাড়ি কসবা মান্দারকান্দি গ্রামে বসবাস করে, সেখানে হাসেঁর খামারের ব্যবসা করে আসছে। সে একাধিক বিয়েও করেছে। প্রথম স্ত্রী শেরপুর গ্রামে এক সন্তান নিয়ে থাকেন। ২য় ও ৩য় স্ত্রীর বাড়ি কসবা মান্দারকান্দি গ্রামে। ৩য় স্ত্রীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলেও ২য় স্ত্রী রিপন আক্তারকে নিয়ে বসবাস করে আসছে। তার ৩ ছেলে ১ মেয়ে রয়েছে। স্ত্রী রিপন আক্তারের পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে সন্দেহে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। রবিবার (২১ জুন) সকালে কসবা মান্দারকান্দি এলাকা থেকে স্ত্রী রিপন আক্তারকে বাড়িতে রেখে যাওয়ার কথা বলে শেরপুর ভুমিহীন গ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে খালি ঘরে স্বামী আশিক মিয়া (৪২) স্ত্রী রিপন আক্তারকে উপর্যুপুরি কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। পরে সে নিজে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে পরিবারের লোকজন চিৎকার দিলে আশপাশ এলাকার লোকজন এসে তাকে আটক করে বেধেঁ রাখে। এ সময় পুলিশে খবর দিলে এস আই কৌশিক ও এসআই আসিব এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করেন। এ সময় আটককৃত ঘাতক স্বামীকে পুলিশের হাতে সোর্পদ করেন স্থানীয় জনতা।
ওসি (তদন্ত) দুলাল মিঞা জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার ও ঘাতক স্বামীকে আটক করেছে। এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।