

৩৯ তম আটলান্টা ফোবানা’র কীক অফ মিটিং আটলান্টার আশিয়ানা ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্টিত হয়েছে। ফোবানার কীক অফ মিটিং উপলক্ষে ফোবানার ১১ টি স্টেটের ২৪ জন ডেলিগেট আটলান্টায় পৌছান ও ফোবানার ফেন্যু পরিদর্শন করে হোস্ট কমিটির সাথে মতবিনিময় করেন।
বাংলাধারার সাধারন সম্পাদক রেজওয়ান হৃদয় এর পরিচালনায় ৩৯ তম ফোবানার হোস্ট বাংলাধারার আয়োজনে কীক অব মিটিংটা ছিল তিন পর্বের।। বাংলাধারার গুনিজন সম্বর্ধনা, ৩৯ তম ফোবানা কীক অফ মিটিং ও আকর্ষনীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্টান।
গ্লোবাল মলের আশিয়ানা বাংকুয়েট হলে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্টান শুরু হয়। বাংলাধারার গুনিজন সম্বর্ধনায় তিনজনকে সম্বর্ধনা ও সম্মামনা প্রদান করা হয়। তারা হলেন, সামসুল আলম (লেখক-সাংবাদিক) হোসনে আরা বিন্দু (সংগীত শিল্পী) ও তাসলিমা সুলতানা পলি (সংগীত শিল্পী)
কীক অফ মিটিং ও বাংলাধারার গুনিজন সম্বর্ধনা অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জর্জিয়া স্টেট সিনেটর শেখ রহমান ও নাবিলা ইসলাম এবং গুইনেট কাউন্টি ডেমোক্রেট পার্টির চেয়ারম্যান ব্লেন্ডা লোপেজ। তারা আটলান্টার বাংলাদেশী কমিউনিটির নানান একটিভিটির ভুয়শী প্রশংসা করেন এবং ৩৯ তম ফোবানার সাফল্য কামনা করেন।
ফোবানার নির্বাহী সংসদের এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারী আবীর আলমগীর ও মাহবুব ভুইয়া এর যৌথ পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে দ্বিতীয় পর্বে শুরু হয় ফোবানার মুল কীক অফ মিটিং। ৩৯ তম ফোবানার কনভেনর নাহিদুল খান সাহেল ফোবানার নানান শহরের ডেলিগেটদের আটলান্টায় স্বাগত জানান এবং বৈরী পরিবেশে উপস্থিত সুধিমহলকে শুভেচ্ছা জানান।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফোবানার সাবেক চেয়ারম্যান এটর্নী মোহাম্মদ আলমগীর (ভার্জিনিয়া) সাবেক চেয়ারম্যান রবিউল করিম বেলাল (পেনসেলভেনিয়া) ও সাবেক চেয়ারম্যান রেহান রেজা (কেনসাস)। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ফোবানার নীর্বাহী সংসদের বর্তমান চেয়ারম্যান মাসুূদ রব চৌধুরী (লস এনজেলস) সহ সভাপতি এম রহমান জহির (মায়ামী) এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারী আবীর আলমগীর (নিউইয়র্ক), জয়েন্ট সেক্রেটারী খালেদ আহমদ রউফ শিকাগো) ও ট্রেজারার ড. প্রিয়লাল কর্মকার (ভার্জিনিয়া)।
৩৯ তম আটলান্টা ফোবানার আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন হোস্ট প্রেসিডেন্ট ডিউক খান, হোষ্ট কমিটির চীফ করর্ডিনেটর দিলু মওলা, হোস্ট কমিটির সিনিয়র কো কনভেনর কাজী নাহিদ, কমিউনিটি একটিভিষ্ট আরেফিন বাবুল ও বাংলা বয়েজ এর মহিন উদ্দিন দুলাল।
ফোবানার কনভেনর নাহিদুল খান সাহেল বলেন, আপনাদের সকলের সহযোগীতায় আটলান্টা ফোবানা সফলতা পাবে। আমাদের ২০০ হাজারের স্পন্সর প্রয়োজন, আশা করি সব গুলো স্টেট থেকেই আমরা ভাল সাড়া পাব। আটলান্টা ফোবানায় নতুনত্ব থাকবে। আমরা ফোবানাকে সার্বজনিন করার চেষ্টা করব।
হোষ্ট কমিটির মেম্বার সেক্রেটারী মাহবুব ভুইয়া বলেন, আমরা আগামী ৭ ফেব্রুয়ারী ঢাকায় মিট এন্ড গ্রিট করব। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ব্যাপকহারে সাড়া দিচ্ছেন। আমাদের সর্বোত্তম চেষ্টা থাকবে একটি মান সম্পন্ন ফোবানার। আটলান্টার ফোবানায় সবচেয়ে বেশী ষ্টেট থেকে পারফর্মরা পারফর্ম করবেন। আমরা আটলান্টার সকলকে সম্পৃক্ত করেই একটি নান্দনিক ফোবানা উপহার দিব।
কীক অফ মিটিং এ আটলান্টা কমিউনিটির অন্যতম যারা উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন, ডা: সালেহ বাদল, ডা: মীর মুজিবুর রহমান, ব্যাবসায়ী ও রংপুর রাইডার্স এর মো : হাসান তারেক, এটর্নী রাজু মহাজন, লিয়াকত হোসেন আবু প্রমুখ।
কীক অফ মিটিং এ ফোবানার চেয়ারম্যান মাসুদ রব চৌধুরী বলেন, ফোবানা যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক গতিশীল। ফোবানা বহুমাত্রিক কাজে জড়িত। স্কলারশীপ, চ্যারিটী সহ উত্তর আমেরিকা কমিউনিটিতে ফোবানা একটি লিডিং সংগঠন। ফোবানায় কোন বিভাজনের সুযোগ নাই।
ফোবানার নির্বাহী সংসদের এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারী সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব আবীর আলমগীর বলেন, ফোবানার পরিধি প্রতিবছর বিস্তৃত হচ্ছে। ফোবানা উত্তর আমেরিকায় বাংলা সংস্কৃতিতে যেমন ভুমিকা রাখে, ঠিক তেমনি ব্যবসায়ীদের নিকটও আইকন। ফোবানা একটি বড় প্লাটফর্ম যেখানে নানা শহরের প্রতিভাবানরা আলোকিত হবার সুযোগ পান। ফোবানার নির্বাচিত নির্বাহী সংসদের সবাই খুবই আন্তরিকতার সাথে ফোবানাকে পরিচালনা করে থাকেন।
কীক অফ মিটিং এর শেষ পর্বে ছিল ফিডব্যাক এর রোমেল খান, হোসনে আরা বিন্দু, গোলাম মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ ইকবাল, মিসেস প্রিয়লাল কর্মকার, রাজিব হোসেন,হোসনে আরা বিন্দু, আবু রুমির অনবদ্য সংগীত পরিবেশনা ও সুস্বাদু ডিনার।