

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে, নির্বাচনের বিকল্প নেই। অতিদ্রুত নির্বাচনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করুন। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে মৎস্যজীবী দল আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা যে এত দ্রুত চলে যাবেন, এটা কেউ কল্পনা করতে পারিনি। রাজনৈতিক ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে শিশু হত্যা করেছেন তিনি। সেনাবাহিনীর অস্ত্র ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিলেন তিনি। হাসিনা সরকারকে সরিয়েছে স্বয়ং আল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা নাকি পালায় না, তাহলে এখন কোথায় তিনি? যাদের লন্ডনে ৩০০ বাড়ি আছে, তারা পালাবে না কেন? ভারত সরকারকে অনুরোধ করছি, খুনি হাসিনাকে ফেরত পাঠিয়ে দিন।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, ঢাকা সেনানিবাসে থাকা ৬২২ জনের নাম তালিকা প্রকাশ করা হোক। ক্যান্টনমেন্ট দুর্বৃত্তদের আশ্রয়ের জায়গা হতে পারে না। বুদ্ধিজীবীরা বিপদের সময় ঘরে বসে থাকেন, বুদ্ধিজীবীদের না নিয়ে শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে সরকার গঠন করা হোক।
আনসার বাহিনী সদস্যদের সচিবালয় ঘেরাও সম্পর্কে তিনি বলেন, যারা সচিবালয়ে হামলা করেছে তারা কেউ আনসার নন, শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন বাহিনীকে মরণাস্ত্রে সাজিয়েছে। আনসার বাহিনীর নামে ছাত্রলীগ-যুবলীগ গণবিপ্লবের সরকারকে ঘেরাও করতে সচিবালয় অবরোধ করেছিল।
তিনি আরো বলেন, কেন ছাত্ররাই বারবার হামলা-অবরোধ এসবের মোকাবেলা করবে। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে পুরো জাতিকে মিলিটারি ট্রেনিং দিয়ে সিটিজেন আর্মি গড়ে তোলা হবে। যাতে বহিঃশক্তির আক্রমণ প্রতিহত করা যায়।
নির্বাচনের দিন দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘুমায় এ কথা উল্লেখ করে মেজর হাফিজ বলেন, আমরা প্রতিবেশি রাষ্ট্রের শাসন চাই না, আমরা জনগণের শাসন চাই।
নিউজ /এমএসএম