বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে ৩
কোটা সংস্কার আন্দোরনকে হাতিয়ার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা চালিয়েছে দুস্কৃতিকারীরা। আর এ সহিংসতায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পুড়ে যাওয়ায় আগামী ১১ আগস্টের এইচএসসি পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে
শেখ হাসিনার পদত্যাগের একদিন পরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হলগুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের এক
নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রুপরেখা ঘোষণা করলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) ভোর সোয়া ৪টায় এক ভিডিও বার্তায় এই তথ্য জানায় ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম
প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। এমতবস্থায় দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বর্তমান পরিস্থিতিতে ছাত্রজনতার এ বিজয়কে বাংলাদেশের
ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ওপর যেন কোনো হামলা না হয়, দেশবাসীর এ আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন,
কুমিল্লায় আওয়ামী লীগ অফিস, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম ও এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের কমপক্ষে ১০০ জন নেতাকর্মী বিবির বাজার স্থলবন্দর
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর করেছে আন্দোলনকারীরা। সোমবার (৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডের
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সংসদ বিলুপ্ত করা হবে। সংসদ ভেঙে অন্তর্বতীকালীন সরকার যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। সোমবার (৫ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে
শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের তোপের মুখে পড়ে সোমবার পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই আন্দোলনে সারা দেশে কয়েক শত লোক মারা যায়। আহত হন হাজার হাজার মানুষ। গণমাধ্যমে প্রাণহানির যে চিত্র