দেশে সরকারী চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ‘দেখামাত্র গুলির নির্দেশ’ দেয়া ও আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এছাড়া এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাওয়াসহ বিষয়টির দিকে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সুষ্ঠু ও মানসম্মত তদন্ত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার গঠিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির জন্য বিদেশি প্রযুক্তির সহায়তা নেয়া হবে। এই তদন্তে সহায়তা নেয়ার
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আবারও নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি বলেছে, কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কাজ করা থেকে প্রবাসীদের বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান। সোমবার (২৯ জুলাই) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিনা অভিবাসন
‘দ্য কনভেনশন অন এবোলিশিং দ্য রিকোয়ারমেন্ট অভ লিগালাইজেশন অভ ফরেন পাবলিক ডকুমেন্ট’ বা এপোস্টিল কনভেনশন-১৯৬১-এর পক্ষভুক্ত হলো বাংলাদেশ। এর ফলে দেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন করা ডকুমেন্ট আর অন্য দেশে পুনরায়
বাংলাদেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। গতকাল রবিবার দূতাবাসের জারি করা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে চলমান পরিস্থিতিতে মার্কিন নাগরিকেরা যেন চলাচলের
কুয়েতে চলছে প্রবাসীদের ব্যাপক ধরপাকড়। মূলত অবৈধভাবে থাকা প্রবাসীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান চালাচ্ছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শুক্রবার দেশটির সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, রাজধানী কুয়েত সিটির শহরতলী বিনাইদ আল গার এলাকাটি অবরুদ্ধ
কোটা বিরোধী আন্দোলনকে পুঁজি করে বাংলাদশে জামাত-বিএনপি‘র দেশব্যাপী সহিংসতা ও দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, বিদেশ থেকে তারেক রহমান সহ স্বাধীনতা বিরোধীদের অপপ্রচার এবং সোমবার (২৯ জুলাই) যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে লন্ডনে
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘাত, প্রাণহানি এবং ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় উদ্বেগের কথা জানিয়েছে ঢাকাস্ত পশ্চিমা ১৪ দেশের দূতাবাস ও হাইকমিশন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের কাছে লেখা এ চিঠিতে সংশ্লিষ্ট সব
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী ব্যাপক সংঘর্ষ-সহিংসতা ও হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার যে ‘শ্বাসরুদ্ধকর’ পরিস্থিতি তৈরি করেছে এর কোনও প্রভাব