শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলে জয় পেলে ব্রাজিল। প্রথমার্ধে ৪ গোলে এগিয়ে থাকা ব্রাজিল দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল পায়নি। তাতে সমস্যা হয়নি। কোরিয়া উল্টো পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছে। এক গোল
এবারের বিশ্বকাপে জাপান রীতিমতো জায়ান্ট কিলার রূপেই দেখা দিয়েছিল। জার্মানিকে হারিয়ে শুরু, এরপর স্পেনকে হারিয়ে মৃত্যুকূপ থেকে রীতিমতো গ্রুপের সেরা হয়েই নকআউটে এসেছিল নীল সামুরাইরা। ক্রোয়েশিয়াকেও দারুণ চোখরাঙানিই দিচ্ছিল হাজিমে
সেনেগালকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল ইংল্যান্ড। শিরোপার লড়াইয়ে আরেকধাপ এগিয়ে যেতে তাদের কোনো কষ্টই হয়নি। সেনেগাল দূর্বল ফুটবল খেলায় খুব সহজেই ইংল্যান্ড জয় পায়। হ্যান্ডারসন, কেন ও
এমবাপ্পে জাদুতে আল থুমামা স্টেডিয়ামে কাতার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের লড়াইয়ে পোল্যান্ডকে ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে শেষ আটে পা রাখলো ফ্রান্স। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে প্রথম গোল করে ফ্রান্সের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি
অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ আটে পা রাখলো আর্জেন্টিনা। মেসির মাইলফলক ছোঁয়া ম্যাচে আর্জেন্টিনা উড়িয়েছে বিজয়ের পতাকা। মেসির পা ছুঁয়ে ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল পায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে আলভারেস ব্যবধান দ্বিগুন করেন।
গ্রুপপর্বে নিজেদের সেভাবে মেলে ধরতে পারেনি টোটাল ফুটবলের জনক নেদারল্যান্ডস। তবে নকআউট পর্বে এসে ছন্দ খুঁজে পেল লুইস ফন গালের শিষ্যরা। শনিবার রাতে শেষ ষোলোর ম্যাচে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ৩-১ গোলে
ক্যামেরুনের কাছে ১ গোলে হারলো ব্রাজিল। যোগ করা সময়ে আবু বাকার গোল করেন। হারলেও জি গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সেলেসাওরা। শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কোরিয়া রিপাবলিক। সোমবার স্টেডিয়াম ৯৭৪-এ কোরিয়ার
কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই নক আউট নিশ্চিত ছিল রোনালদোর পর্তুগাল। আর প্রথম ম্যাচ হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ড্র, দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য ম্যাচটা ছিল ‘ডু র
বিশ্বকাপের ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচে ঘানাকে হারিয়েও বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল দু’বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে। একই সময়ে গ্রুপের অন্য ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়া পর্তুগালকে হারিয়ে দেওয়ায় গোল ব্যবধানে বিশ্বকাপ থেকে অশ্রুশিক্ত নয়নে
জিতেও কাতার বিশ্বকাপ থেকে বাদ জার্মানি। শেষ ম্যাচে কোস্টারিকাকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে তারা। কোস্টারিকার জালে জার্মানির চার গোল আবার গোল জার্মানির। ৮৯ মিনিটে চতুর্থ গোল দেয় জার্মানরা। ৪-২ গোলে এগিয়ে