হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়েছে। এসময় কয়েকটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার (২ আগস্ট) দুপুরে জুমার নামাজ শেষে হবিগঞ্জ শহরে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শিক্ষার্থীদের অযথা হয়রানি ও আটক না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থীকে যেন হয়রানি না হয় সেদিকে সবাইকে
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮/১ ধারায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ও ইসলামি ছাত্র শিবিরকে নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ১২ দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ১২ দলীয় জোটের প্রধান
আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলার মাটিতে জঙ্গিদের ঠাঁই হবে না। সেইভাবে আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। আমি দেশবাসীকে সজাগ থাকতে বলব, তাদের সহযোগিতা চাই। এছাড়া নিষিদ্ধ ঘোষণার
মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে ডক্টর ইউনূসের দাবি অসাংবিধানিক ও বেআইনি। বাংলাদেশের ওপর বিদেশি হস্তক্ষেপে তার বিবৃতি রাষ্ট্রদ্রোহিতার সামিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাধারন শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলনকে পূঁজি করে স্বাধীনতা বিরোধী জামাতে ইসলামী জঙ্গিগোষ্টী ও সরকার বিরোধী বিএনপি দেশব্যাপী ধ্বংশাত্মক কর্মকান্ড চালিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যার মাধ্যমে
জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবির ও তাদের অঙ্গসংগঠনগুলোকে সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী দলটির কার্যক্রম
চলমান ছাত্র-গণআন্দোলনে সম্পৃক্ত হতে আপামর জনসাধারণকে ব্যাপকভাবে রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সুশীল সমাজসহ সকল শ্রেণি-পেশার জনগণ যেভাবে সাহসের সাথে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে
সম্প্রতি বাংলাদেশে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জামাত -শিবির, বিএনপি কর্তৃক সারা বাংলাদেশের রাষ্টীয় সম্পদ জ্বালাও পোড়াও ধ্বংসযজ্ঞ, নৈরাজ্য, আগুন সন্ত্রাস, সহিংসতা নাশকতা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের আয়োজনে ২৯
কোটা সংস্কার আন্দোলনে ব্যাপক ধরপাকড়ের মধ্যেও আন্দোলনে মাঠে সক্রিয় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। গ্রেপ্তার এড়াতে আপাতত দলীয় ব্যানারে কর্মসূচি পালন করবে না দলটি। তবে দল সমর্থক বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী সংগঠন এবং