‘বাসন্তীকে জাল পরিয়ে বানোয়াট সংবাদ পরিবেশনের মতো একটি শিশুকে ১০ টাকা দিয়ে তার নাম ব্যবহার করে অসত্য লিখে স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা কি অপরাধ নয়’ প্রশ্ন রেখেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের
গণমাধ্যমের কণ্ঠকে নিস্তব্ধ করার জন্যই সরকার কালো আইন ব্যবহার করে চূড়ান্ত দমন চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মো. তাইফুল ইসলাম টিপুর
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমাদের দেশে ইসলাম এসেছে শান্তির পথে, ওলি-আউলিয়াদের হাত ধরে। কোনো যুদ্ধ-বিগ্রহের মাধ্যমে নয়। আমাদের দেশ সকল
নির্বাচনে জেতার গ্যারান্টি দেবে এ রকম তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিএনপি চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বুধবার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের
ইসি নয় তত্বাবধায়ক ইস্যু সরকারের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের কোন ক্ষমতা না থাকায় তাদের সাথে যেকোন আলোচনাই অর্থহীন।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, সাংবাদিকতার সঙ্গে কোনো ষড়যন্ত্র যদি সন্নিবেশিত হয় তাহলে আমরাও বলে দিতে চাই, আমরাও ছেড়ে দেবো না। আমরা প্রতিবাদে নেমেছি, প্রতিবাদ আমরা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি জন্মলগ্ন থেকেই আদর্শগতভাবে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্মের মূলচেতনাবিরোধী রাজনীতি করে আসছে। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি
বাংলাদেশে খুব শীঘ্রই গণঅভ্যুত্থান হবে এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, সরকারকে হঠাতে হলে একটি গণঅভ্যুত্থান প্রয়োজন আছে। গণঅভ্যুত্থান তখনই সফল
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীরা, ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে গঠন করা দল বিএনপি এখন গণতন্ত্রের সবক দিচ্ছে। দলটি ক্ষমতায় থাকতে যে নির্যাতন হয়েছে তার এক ভাগ করলেও আওয়ামী লীগকে
দেশে আবারো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত ‘মুক্তিযোদ্ধা গণ সমাবেশে’