শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন

কয়রায় ভিজিডি চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ 

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৬৮ এই পর্যন্ত দেখেছেন

মোঃ আবুবকর সিদ্দিক, কয়রাঃ খুলনা জেলার কয়রা থানার ৩ নং মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য ও ডিলারের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া হতদরিদ্রের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ১৫ টাকা কেজির চাল  কার্ডধারীদের না দিয়ে নিজস্ব  লোকজনকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, সরকার প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিল, অক্টোম্বর-নভেম্বর ও ডিসেম্বর ৫ মাস কার্ডধারী হতদরিদ্রদের প্রতিমাসে ১৫ টাকা মূল্যে ৩০ কেজি করে চাল ডিলারের মাধ্যমে দিয়ে থাকেন।

সরেজমিনে জানা যায়, কয়রা উপজেলার ৭ নং ওয়ার্ডের ভাগবায় তাসলিমা বেগম, মনোয়ারা বেগম,  শহিদুল, ফরিদা বেগম সহ আরো অনেকের নামে কার্ড থাকলেও গত এক বছরেও তারা একবারও চাল পাননি  বলে জানান।

ডিলার কৃষ্ণপদ মন্ডল বলেন, চাউল দেওয়ার সময় কার্ড ও মাষ্টাররোল অনুযায়ী দেওয়া হয়। তিনি বলেন চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য ৩৩% কার্ড বাতিল করেছে, এজন্য যাদের নাম মাষ্টাররোলে আছে তাদের কার্ড না থাকলেও চাউল দেওয়া হয়। তাছাড়া  চেয়ারম্যান অত্র কমিটির সভাপতি তিনি চাইলে তালিকা পরিবর্তন করতে পারেন।

ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম শাফী অভিযোগের কথা অস্বীকার করে বলেন, কার্ডধারীদের মধ্যে যারা কয়েকবার চাল পেয়েছে এবার তাদের না দিয়ে কার্ড নেই কিন্তু দরিদ্র এমন কয়েকজনকে চাল দিয়েছেন তিনি। কার্ড নেই যাদের তারা তো চাউল পাবেনা এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেন নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রোকুনুজ্জামান বলেন, কার্ডধারীর চাল অন্যকে দেয়ার কোন বিধান নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে খতিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি।ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারীর মুঠোফোনে বারবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের নাম অনলাইনে থাকার পরেও তাদেরকে চাউল দেয়া হচ্ছে না এবং বরাদ্দকৃত জিআর চাল কার্ডধারীদের না দিয়ে কোন তালিকা না নিয়েই মনগড়া ভাবে বিতরণ করা হচ্ছে। এতে করে প্রকৃত মানুষেরা চাল না পেলেও তাদের মনোনীত পছন্দের ব্যক্তিরা চাউল পেয়েছেন। নতুন করে চাউল পাওয়াদের মধ্যে জাকির হোসেন মুঠোফোনে জানান তার কোন কার্ড নাই কিন্তু তিনি একবার চাউল পেয়েছেন।

ভুক্তভোগীরা আরো বলেন, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম শাফী ও ডিলার হতদরিদ্র কার্ডধারীদের চাউল না দিয়ে নিজস্ব লোকজনকে দিচ্ছেন। এছাড়াও কয়রার বিভিন্ন জায়গায় এমন অভিযোগ ও পাওয়া গেছে। 

মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার মোঃ মহসীন আলী (উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার) এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি এ প্রতিবদককে জানান, চাউল দেওয়ার সময় তিনি উপস্থিত থাকলেও এ বিষয়ে তিনি জানেন না, না জেনে মন্তব্য করতে চান না। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। ইউপি সচিব সুমনও জানান বিষয়টি তিনি জানেন না।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102