স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও দৈনিক ইনফো বাংলা যৌথ উদ্যোগে সিলেটে শুক্রবার (২ জুন) বিকালে সিলেট মহানগরীর উপশহরস্থ হোটেল গার্ডেন ইন-এ মাদকবিরোধী গণসচেতনতা ক্যাম্পিং, আলোচনা সভা ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
দৈনিক ইনফো বাংলা সিলেট ব্যুরো প্রধান উৎফল বড়ুয়া সভাপতিত্বে আয়োজনে উদ্বোধন করেন: দৈনিক ইনফো বাংলা সম্পাদক কল্যাণ চক্রবর্তী,, মূখ্য আলোচক: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বদরুল ইসলাম শোয়েব,
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন, পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। বিশেষ অতিথি : নরউইচ নরফোক আওয়ামীলীগ, গয়াছ মিয়া গিয়াস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, যুক্তরাজ্য,শাহ দিদার আলম চৌধুরী নবেল, সাধারণ সম্পাদক, সিলেট জেলা প্রেস ক্লাব, সিলেট, মো:এমদাদুল ইসলাম উইং ম্যানেজার ইস্পাহানি টি লিমিটেড,শ্যামল বনিক মিডিয়া অফিসার,সিলেট জেলা পুলিশ, মো: আনিছুজ্জামান পাটোয়ারি বিভাগীয় ব্যবস্থাপক, ইস্পাহানি টি লিমিটেড, সিলেট, বরণ চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক, গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজ, সুনামগঞ্জ, উপদেষ্টা, বাবৌযুপ-সিলেট অঞ্চল, বরণময় চাকমা, উপদেষ্টা, বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ -সিলেট অঞ্চল, সৈয়দ সাইদুল ইসলাম দুলাল, প্রেসিডেন্ট, লিগ্যাল রাইট্স ফাইটিং অর্গানাইজেশন সিলেট, হাজী এম.রফিকুল আলম, উপদেষ্টা, সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশন, শহিদুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশন, বিপ্লব পাল,সাধারণ সম্পাদক, সিলেট সাংবাদিক ই়উনিয়ন, মাসুদ আহমেদ, পরিচালক, সিলেট মহানগর হাসপাতাল, সাংবাদিক আশিষ দাশ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো:জাফর, দিলু বড়ুয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সিলেটের কিছু কৃতি শিক্ষার্থীদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও দৈনিক ইনফো বাংলার পক্ষ থেকে সম্মাননা মেডেল প্রদান ও নরউইচ নরফোক আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গয়াস মিয়া (গিয়াস) এর পক্ষ থেকে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বক্তারা বলেন, মাদক প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা, শিক্ষা, পরিমিত জীবন যাপন, বন্ধু নির্বাচন, দায়িত্বশীলতা ইত্যাদি মাদকাসক্তি প্রতিরোধ ও প্রতিকারের পথ। সন্তানের উপর খেয়াল রাখতে হবে যে সে কোন অস্বাভাবিক জীবন যাপন করছে কিনা, কেমন বন্ধু বান্ধবের সাথে সে মিশছে।
বিশ্বব্যাংকের এক জরিপে দেখা গেছে, মাদকাসক্তদের প্রায় ৪৫ শতাংশই কোনো না কোনো সামাজিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যার মধ্যে অন্যতম সমস্যা হলে মাদকাসক্তি। আমাদের দেশে যে হারে তরুণ ও যুব সমাজের মধ্যে মাদকাসক্তির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে তা অত্যন্ত ভীতিকর ও আশঙ্কাজনক।
এখনই মাদকের লাগাম টেনে ধরতে না পারলে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের দেশে এমন কোনো পরিবার পাওয়া যাবে না যে পরিবারে কেউ মাদকাসক্ত নয়। মাদক একটি জাতিকে ধ্বংস করে দেয়ার মোক্ষম অস্ত্র। তাই মাদকাসক্তি প্রতিরোধে নাগরিক সচেতনতা এবং সামাজিক প্রতিরোধের কোনো বিকল্প নেই। আর এ জন্য পরিবার, সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে।