রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে মাজার জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রী মব জাষ্টিস বন্ধ না হলে বাংলাদেশ জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রে পরিনত হতে পারে —ব্যারিস্টার সারা হোসেন মে দিবস উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উদ্যোগে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের ২০ বছর পূর্তি উদযাপিত বিএটি বাংলাদেশ পিএলসির ৫৩তম এজিএম অনুষ্ঠিত বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা জাতিসংঘে পার্বত্য চুক্তির অগ্রগতি উপস্থাপন সাধু বাবুর অভিনয়ে কুমিরের পিঠে দেশ

কবি সুফিয়া কামালের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২২
  • ২১৩ এই পর্যন্ত দেখেছেন

মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির অনেক প্রগতিশীল আন্দোলনে ভূমিকা পালনকারী কবি বেগম সুফিয়া কামালের ২৩ তম  মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

প্রগতিশীল আন্দোলনের এই অগ্রদূত ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার ইচ্ছানুযায়ী তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

এ উপলক্ষে রোববার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে কবির স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করছে।

বেগম সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা  পৃথক বাণী দিয়েছেন।  বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা। পিছিয়ে পড়া নারী সমাজের শিক্ষা ও অধিকার আদায়ের আন্দোলন শুরু করেছিলেন এবং গড়ে তোলেন ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ’। বিভিন্ন গণতান্ত্রিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অবদানের জন্য তাঁকে ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি বেগম সুফিয়া কামালের সাহিত্যে সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবী জানান তিনি । ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে গঠিত আন্দোলনে কবি যোগ দেন। বেগম সুফিয়া কামাল শিশু সংগঠন ‘কচি-কাঁচার মেলা’ প্রতিষ্ঠা করেন। আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নামে ছাত্রী হল নির্মাণ করেছে। কবি বেগম সুফিয়া কামাল যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

কবির জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালে। তখন বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ একেবারে সীমিত থাকলেও তিনি নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া শেখেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতাচর্চা শুরু করেন। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।

‘সাঁঝের মায়া’, ‘মন ও জীবন, ‘শান্তি ও প্রার্থনা’, ‘উদাত্ত পৃথিবী’ ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এ ছাড়া ‘সোভিয়েতের দিনগুলি’ এবং ‘একাত্তরের ডায়েরী’ তার অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ।

সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার, সোভিয়েত লেনিন পদক, একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ও স্বাধীনতা দিবস পদক।

ইউকেবিডিটিভি/ বিডি / এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102